করোনাভাইরাস: বাইরের খাবারে সতর্কতা

0 8

নিউজনাউ ডেস্কঃ খাবার থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। করোনা ছড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি এবং কথা বলার সময় মুখনিঃসৃত তরল কণার মাধ্যমে। এ ছাড়া ভাইরাস লেগে আছে এমন কিছুর সংস্পর্শে আসার পর হাত দিয়ে নাক-মুখ-চোখ স্পর্শ করলেও সংক্রমণ ঘটে। ঠিক এ কারণেই রেস্তোরাঁ, হোটেল, খাবার পরিবহন ইত্যাদি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
আসুন জেনে নিই বাইরের খাবারে সতর্কতা-
•হোটেল-রেস্তোরাঁ বা কাজের জায়গায় প্রবেশের আগে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে কনুই পর্যন্ত। রেস্তোরাঁর কর্মী ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লাভস থাকতে হবে।
•খাবার প্রস্তুতের জায়গা হতে হবে খোলামেলা, কর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব থাকতে হবে কমপক্ষে ৩ ফুট।
• মুখোমুখি হয়ে কাজ করা চলবে না। সবাই একই দিকে মুখ করে কাজ করবেন। এক সারির পেছনে আরেক সারি থাকলে সে ক্ষেত্রেও সবাই একই দিকে মুখ করে কাজ করবেন।
• যেকোনো ড্রয়ার, হাতল ধরার আগে-পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে নিতে হবে।
• দৃশ্যমান জায়গায় পালনীয় স্বাস্থ্যবিধি এবং করোনার উপসর্গগুলো লিখিত ও ছবির মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে, যাতে সবাই সেটা দেখে-পড়ে সতর্ক হতে পারেন।
• খাবার প্রস্তুতের পর তা দ্রুত প্যাকেটজাত করে ফেলতে হবে। প্রদর্শনের জন্য খোলা জায়গায় নয়, কাচঘেরা শোকেসে খাবার রাখতে হবে।
• যাঁরা খাদ্যদ্রব্য কিনতে আসবেন, তাঁরা আগে থেকেই তালিকা করে আনবেন। এরপর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাবারের সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় অপেক্ষা করবেন। কাউন্টারে ভিড় করা চলবে না।
• টাকাপয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে মুঠোফোনে আর্থিক লেনদেনের অ্যাপ অথবা ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। টাকা স্পর্শ করে সেই হাত দিয়ে খাবার ডেলিভারি দেওয়া বা নেওয়া যাবে না।
• অর্ডারের ভিত্তিতে বাড়িতে বা অন্য কোথাও খাবার ডেলিভারির ক্ষেত্রে প্যাকেটগুলো একজন গাড়িতে ওঠাবেন এবং আরেকজন দূরত্ব বজায় রেখে তা তদারক করবেন।
• খাবার ডেলিভারি দেওয়ার সময় আগে থেকেই প্যাকেটগুলো কোথায় রাখতে হবে জেনে নিন এবং টাকাপয়সা লেনদেনও একইভাবে দূরত্ব বজায় রেখে করবেন। যদি গাড়িচালক এবং খাবার সরবরাহকারী একই ব্যক্তি হন, তাহলে তিনি অবশ্যই খাবারের প্যাকেট ধরার আগে হাত সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন।
• কাজের জায়গা, রেস্তোরাঁর মেঝে, কাউন্টার বা যেসব জায়গায় ঘন ঘন হাতের স্পর্শ লাগে, সেসব জায়গা নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
• নিউজনাউ/এফএফ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
Loading...