২১ অক্টোবর দুর্গাপূজা শুরু; ভার্চুয়াল অঞ্জলি

 

সজল দাস : আশ্বিন মল মাস। এ কারণে এবার দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে একমাস পর অর্থাৎ আগামী ২১ অক্টোবর থেকে। এদিন দেবীর বোধন। করোনাকালে এবার শুধু ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে মন্দির প্রাঙ্গণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে সব আয়োজন। বয়স্ক ব‌্যক্তি ও শিশু ইচ্ছা থাকলেও এবার পূজায় আসতে পারবে না। তাদের জন্য ভার্চুয়ালি অঞ্জলির ব্যবস্থা থাকবে।

দুর্গাপূজায় স্বাস্থ্যবিধি বিষয় গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। যা পূর্ণার্থীদের মেনে চলতে হবে। চলুন জেনে নেই, এ নির্দেশনায় কি কি বলা হয়েছে?
নির্দেশনায় মন্দির প্রাঙ্গণে নারী-পুরুষের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ আলাদা ও নির্দিষ্ট থাকার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও পূজামণ্ডপে আসা ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট দূরত্ব (কমপক্ষে দুই হাত) বজায় রেখে লাইন ধরে সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করবেন এবং প্রণাম শেষে বের হয়ে যেতে হবে। সম্ভব হলে পুরো পথ পরিক্রমা গোল চিহ্ন দিয়ে নির্দিষ্ট করে দেয়ার কথাও বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

পুষ্পাঞ্জলি প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং ভক্তের সংখ্যা অধিক হলে একাধিকবার পুষ্পাঞ্জলির ব্যবস্থা করতে হবে উল্লেখ করে নির্দেশনায় আরো বলা হয়, পূজামণ্ডপে আসা সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। মাস্ক না পরে আসলে কাউকে পূজামণ্ডপে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। এছাড়াও মন্দিরের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সর্দি-জ্বর-কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে কেউ যেন পূজামণ্ডপে না প্রবেশ করে। একইসঙ্গে হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু, রুমাল বা কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকতে হবে। ব্যবহৃত টিস্যু বর্জ্য ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ঢাকনাযুক্ত বিনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। জরুরিভাবে তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রসাদ বিতরণ, আরতি প্রতিযোগিতা/ধুনচি নাচ এবং শোভাযাত্রা থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। ধর্মীয় উপাচার ছাড়া অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোকসজ্জা বর্জন করতেও বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...