হারলে জেলে যেতে পারেন ট্রাম্প!

নিউজনাউ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলমান রয়েছে বেশকিছু মামলা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারিসহ একাধিক ধর্ষণ মামলা। এতোদিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাহী সুবিধার আওতায় সেগুলোকে ঠেকিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। কিন্তু পদ হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবারও চালু হয়ে যেতে পারে মামলাগুলো। এসব মামলায় কারাগারেও যেতে হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্টের।

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিরর জানিয়েছে, ট্রাম্প এখন যে ভোট চুরির অভিযোগ তুলছেন তার অন্যতমকারণ হলো কারাগারে যাওয়ার ভয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর হ্যারি স্যান্ডিক বলেন, ট্রাম্প হেরে গেলে প্রসিকিউটর ও সাক্ষীদের পক্ষে মামলা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

তার বিরুদ্ধে আছে করফাঁকির মামলা। প্লেবয় মডেল কারেন ম্যাকডোগাল ও পর্নতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থ প্রদানের অভিযোগের ক্ষেত্রে ট্রাম্প অর্গানাইজেশন নথি জালিয়াতি করেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন নিউ ইয়র্কের আইনজীবীরা। ম্যানহাটনে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে চলছে তদন্ত।

তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক ধর্ষণ মামলা। ক্ষমতা হারালে উন্মুক্ত হবে সে মামলাগুলোর কার্যক্রমও। লেখক ই জিন ক্যারলের অভিযোগ, নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝিতে ম্যানহাটনের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ট্রায়াল রুমে তাকে ধর্ষণ করেন ট্রাম্প। ট্রাম্প সে অভিযোগ অস্বীকার করলেও সে মামলায় ডিএনএ নমুনা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।

শুনানীর অপেক্ষায় আছে সামার জারভোস নামের আরেক শিক্ষানবীশের মামলাও। ২০০৭ সালে তাকে ট্রাম্প যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ তার।

তবে সবচেয়ে গুরুতর ও দ্রুত বিপদ নিয়ে আসতে পারে ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলা। বাণিজ্যিক লেনদেন ও করের নথি চাইছেন প্রসিকিউটররা। কিন্তু তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। আদালতের এই অনুরোধকে বৈধ বলে রায় দিলেও ট্রাম্প এতোদিন মানেননি। তাই ক্ষমতা হারানো সাথে চালু হয়ে যাবে এসব মামলা। দোষী প্রমাণিত হলে জেলে যেতে হতে পারে ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া ট্রাম্পের।

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...