সাহেদের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিজেন্ট গ্রুপ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে প্রতারণা করে ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এছাড়া করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৩ কোটি ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব অপরাধে সাহেদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা করেছে সিআইডি।

সিআইডি থেকে বলা হয়েছে, সাহেদ তার অপকর্মের প্রধান সহযোগী মাসুদ পারভেজের সহযোগিতায় রিজেন্ট ডিসকভারি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের নামে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ঢাকার শাহ মখদুম এভিনিউ শাখায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলেন (হিসাব নং- ০০৬২০২১০০০৫৯৩৫)। হিসাবটি পরিচালনা করতেন সাহেদের বাবা সিরাজুল করিম ও মাসুদ পারভেজ। সিআইডির অনুসন্ধানে অভিযুক্ত সাহেদের অর্জিত সম্পদের প্রধান উৎস প্রতারণা ও জালিয়াতি মর্মে বেরিয়ে আসে। অপরাধলব্ধ আয় লেনদেনের সুবিধার্থে রিজেন্ট হাসপাতাল, রিজেন্ট কে সি এস লিমিটেড ও অন্যান্য অস্তিত্ববিহীন ১২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ৪৩টি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করে আসছিলেন সাহেদ।

সাহেদ ও মাসুদ পারভেজ পরস্পর যোগসাজশে ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি হতে এ বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে মোট ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা হাতিয়ে নেয়ার তথ্য পাওয়া যায়। অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট , সিআইডি বাদী হয়ে রাজধানী উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি মিডিয়া) জিসানুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন , ব্যাংক হিসাবসমূহ খোলার সময় কেওয়াইসি ফরমে প্রতিষ্ঠানসমূহের চেয়ারম্যান বা স্বত্বাধিকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন সাহেদ। প্রতিষ্ঠানসমূহের এমডি মাসুদ পারভেজ অভিযুক্ত সাহেদের পক্ষে হিসাবসমূহ প্রত্যক্ষভাবে পরিচালনা করেছেন, যা সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে উদঘাটিত হয়।

নিউজনাউ/টিএন/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...