ভীষণ শকড! সাহেদের বিচার চান স্ত্রীও

নিউজনাউ ডেস্ক:
‘নিজের জীবন নষ্ট করে আমি তাকে সুযোগ দিয়েছি। একবার নয়। বারবার। সুস্থ পরিবেশে থেকে তিনি কেন এমন কাজ করবেন? আমরা শকড। ভীষণ শকড। কী বলবো, আমি আসলে অনুভূতিহীন।’

কথাগুলো রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ এর স্ত্রী সাদিয়া আরাবি রিমির।

২০০৭ সালে তাদের বিয়ে হয়। বেশ কয়েকবার রিমি সাহেদের পরিবার ছেড়ে চলেও যান। মায়ের কাছে আশ্রয় নেন। একটানা ২ বছর থাকেন। মেয়ে ও সংসারের কথা ভেবে ফেরেন।

সাহেদ যে ধরনের অপরাধ করেছে, তাতে তার চরম শাস্তি হওয়া উচিৎ। ও যে এই ধরনের কাজ করতে পারে, কল্পনারও বাইরে।

প্রতারণা তার নেশা কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে স্ত্রী বলেন, তিনিও তা মনে করেন। এত সুন্দর পরিবার থাকতে কেন তাহলে এমন করবে?

২০১৫ সালে স্বামীর সংসার ছেঁড়ে চলে যান। তারপর থেকে এ পর্যন্ত খুব একটা সমস্যা হয়নি। বিয়ের পরপর ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স এর শো রুম থেকে এসি কিনে তিনি যে চেক দেন, তাতে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। পরে দেখা যায় তিনি সেই এসিগুলো কম দামে গুলশান ১নং মার্কেটে বিক্রি করে দিচ্ছিলেন। ওই ঘটনায় জেলে যান। ৩ মাস ভেতরে থাকেন।

গত ৪-৫ বছর যাবত পরিবারের সবাই ভাবছিলেন, তার হয়তো আচরণে স্বভাবে পরিবর্তন এসেছে। প্রচুর টক শো করছিল। সমাজে একটা অবস্থান তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ভাল ও সুস্থ অবস্থানে থেকে কেন একজন মানুষ এমন বাজে কাজ করবেন, এটা তাঁর স্ত্রীর মাথায় আসে না। মানুষ তো তার নিজের অবস্থান ধরে রাখবার জন্য ভাল হয়ে যাবে।

তাঁর স্ত্রী বলছিলেন, আমি আসলে কী করবো? আমরা মিডিয়া পরিবার। মিডিয়াতে আমিও কাজ করেছি। তার চলাফেরায় সমস্যা আছে সত্য। বিয়ের পরপরই সেটা আমার চোখে পড়েছে। তবে এখন যা বলা হচ্ছে, তার সব কিন্তু সত্য নয়। বাড়তি কথাও আছে। এতোই যদি টাকা থাকতো ফ্লাট কিনে ফেলতাম। ভাড়া বাসায় থাকতাম না।

নিউজনাউ/এবি/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...