লঞ্চডুবির ঘটনায় মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবিতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩২ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি। সোমবার (২৯ জুন) রাতেই ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, চালকসহ ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করে।

নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ‘ময়ূর-২’ লঞ্চের মালিক মোফাজ্জল হামিদ ছোয়াদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, মাস্টার আবুল বাশার, মাস্টার জাকির হোসেন, স্টাফ শিপন হাওলাদার, শাকিল হোসেন, হৃদয় ও সুকানি নাসির মৃধা। এছাড়াও অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে। পরোয়া লঞ্চ চালিয়ে মানুষ হত্যা ও ধাক্কা দিয়ে লঞ্চ দুর্ঘটনার জন্য দণ্ডবিধির ২৮০, ৩০৪ (ক), ৪৩৭ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি হয়।

নৌ পুলিশ ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খোন্দকার ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যকে জানায়, ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক ও চালকসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ডুবে যাওয়া ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ঘটনাস্থলে আসতে না পারায় অপর একটি ছোট জাহাজ উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। ট্রাকের খালি টায়ার ব্যবহার করে লঞ্চটি তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সোমবার সকাল পৌনে আটটায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়া করেছিলো মর্নিং বার্ড লঞ্চটি। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভেড়ানোর আগেই চাঁদপুরগামী ময়ুর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দিলে ডুবে যায় ‘মর্নিং বার্ড’। এসময় কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রী আটকা পড়ে লঞ্চের ভেতরে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডুবুরীদের চেষ্টায় ৩২ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজনাউ/এসএ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...