বায়ার্ন মিউনিখের ঘরে স্বপ্নের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা

নিউজনাউ ডেস্ক: স্বপ্নের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের অনবদ্য পারফরম্যান্স, পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছে এই জার্মান পরাশক্তি। রবিবার রাতে পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে ১-০ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ৭ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে বাভারিয়ানরা। ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণী একমাত্র গোলটি করেন বায়ার্ন তারকা কিংসলে কোমান।

আক্রমণাত্মক ফুটবলে অদম্য হয়ে ওঠা বায়ার্ন চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য সবকটি শিরোপাই ঘরে তুললো। ২০২০-এ কোনো ম্যাচ না হারা দলটি এই নিয়ে টানা ২১ ম্যাচ জয়ের পথে উঁচিয়ে ধরল বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও এই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

পর্তুগালের লিসবনে রোববার রাতে ম্যাচের ১৬ মিনিটে নেইমার সুযোগ পেয়েছিলেন গোলের। কিন্তু তার নেওয়া শট দুইবার ফেরে বায়ার্নের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের পায়ে লেগে। ২২ মিনিটে বায়ার্নের রবার্ট লিওয়ানডোস্কির নেওয়া শট পিএসজির কেইলর নাভাস ধরতে পারেননি। নিশ্চিত গোল হতে পারতো। কিন্তু ভাগ্যের শিকে ছিড়েনি পোল্যান্ডের এই ফুটবলারের। তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

২৪ মিনিটে নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন পিএসজি তারকা অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। কিন্তু মিস করেন এই আর্জেন্টাইন। তার নেওয়া শট বারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৩০ মিনেটে লিওয়ানডোস্কি আরো একটি গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। এ সময় তার নেওয়া হেড পাঞ্চ করে ফেরান নাভাস। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ডি বক্সের মধ্যে গোলরক্ষকে একা পেয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। কিন্তু তিনি সরাসরি মেরে দেন নয়্যারের পায়ে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঝমাঠের বাইলাইনে নেইমারকে বায়ার্নের জিনাব্রি অহেতুক ফাউল করলে দু’পক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়ায়। জিনাব্রি ও পিএসজির লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ৫৯তম মিনিটে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। জসুয়া কিমিচের ক্রসে লাফিয়ে হেডে গোল করেন কোমান।

দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ তৈরি করেছিলেন কোমান। তাকে রুখে দেন ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা। ৭০তম মিনিটে কাছ থেকে মার্কিনিয়োসের দুর্বল শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন নয়্যার।

এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে শিরোপার লড়াই। ৭০তম মিনিটে ডি মারিয়ার পাসে কাছের পোস্টে নেওয়া মার্কুইনহোসের দুর্বল শট অনায়াসে পা মোকাবিলা করেন নয়্যার। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা এরিক ম্যাক্সিম শেষদিকে সমতা আনার সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। আর তাতেই স্বপ্নের ট্রফি থেকে গেছে একেবারেই অধরা।

নিউজনাউ/এসএইচ/২০২০

Express Your Reaction
Like
Love
Haha
Wow
Sad
Angry
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
Loading...