Banner Before Header

রোজায় সুস্থ থাকতে

বর্জণ করুন তেলেভাজা ইফতার

সারা দিনে রোজা রেখে অতিরিক্ত! ব্যাস হয়ে গেল সারা মাসের দুর্যোগের সৃষ্টি। শারিরীকভাবে আপনি ভীষণ কষ্ট পাবেন শুধুমাত্র ভুল খাদ্যাভাসের কারণে।

অথচ নিয়ম মেনে চললে রমজানে শরীর পরিশ্রান্ত হওয়ার বদলে চনমনে হয়ে উঠে। এসময়ই শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে এ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।কিন্তু আমাদের দেশে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় অনেকেই পেট পুরে খেতে পছন্দ করেন। আর এ মেনুতে ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবারই বেশি থাকে। কিন্তু সেটি পরিহার করে রোজা ভেঙ্গে কয়েকটি খেজুর খাওয়া ভীষণ স্বাস্থ্যসম্মত। এর পর দুধ, পানি, স্যুপ বা ফলের জুস খাবেন। কারণ সারাদিন অভুক্ত থাকার পর স্বাস্থ্যসম্মত ও সুষম খাবার পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। অতিরিক্ত খাবেন না।

ভুলেও  ক্যাফেইন জাতীয় কোনও পানীয় অর্থাৎ চা, কফি বা সোডা জাতীয় পানীয় বা কোল্ড ড্রিংস যেমন কোক, পেপসি ইত্যাদি পান করবেন না। যেখানেই থাকুন বেশি করে পানি পান করুন। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে বেশি করে পানি পানের অভ্যাস করুন।

রোজার সময় হালকা ব্যায়াম বেশ উপকারী। প্রতিদিন ইফতারের পরে নিয়মিত ১৫-২০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন।

এসময় চিকিৎসকের কাছে মাল্টি-ভিটামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ নিতে পারেন। তবে সুষম খাদ্য গ্রহনের অভ্যাস করলে অতিরিক্ত ভিটামিনের কোনো প্রয়োজন নেই।

দিনে কয়েকবার নির্দিষ্ট সময় ব্রাশ ও দাঁতে ফ্লস ব্যবহার করতে পারেন। এতে কোনও খাদ্যকণা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকলে, তা বের হয়ে যাবে ও মাড়িকে সুস্থ-সবল রাখবে।

পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। কারো সর্দি-কাশি বা হাঁচি হলে সাবধান থাকুন। কারণ এর মাধ্যমে আপনার শরীরে ভাইরাস জ্বর বা এ জাতীয় কোনো রোগের জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা ৭-৮ ঘণ্টার কম ঘুম আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.