Banner Before Header

শিল্পকলায় পদাতিকের গহনযাত্রা

আবারো শিল্পকলা একাডেমি মাতালেন পদাতিক নাট্য সংসদের নাট্য শিল্পীরা।

আজ মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে পদাতিক নাট্য সংসদ এর আয়োজনে মঞ্চস্থ হয়েছে নাটক ‘গহনযাত্রা’।

রুবাইয়াৎ আহমেদের রচনায় এটি নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী। এতে একক অভিনয় করেছেন শামছি আরা সায়েকা।

নাটকের নির্দেশনা সহযোগী হিসেবে ছিলেন সঞ্জীব কুমার দে, সঙ্গীত পরিকল্পনায় সাইমা রানা, সঙ্গীত সঞ্চালনায় মেহেদি হাসান মেধা, আলোক পরিকল্পনায় সুদীপ চক্রবর্তী, দ্রব্য ও মুখোশ পরিকল্পনায় সঞ্জীব কুমার দে, মঞ্চ ও মুখোশ নির্মাণ তৈমুর হান্নান, পোশাক ও রূপসজ্জা পরিকল্পনায় শামছি আরা সায়েকা, প্রকাশনায় রুবাইয়াৎ আহমেদ, মঞ্চ ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন মমিনুল হক দীপু।

নাটকটির কাহিনীতে তুলে ধরা হয়েছে, এই ভূখণ্ডের কোনো এক স্থানে জন্ম হয় উগ্রপন্থার। সেই উগ্রপন্থার অনুসারীরা বিপরীত সব মতবাদ প্রত্যাখ্যান করে শুধু একটি মতবাদকেই প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এ জন্য তারা চালায় ধ্বংসলীলা, বইয়ে দেয় রক্তগঙ্গা, হত্যা করে অগণিত মানুষ, ধর্ষিত হয় অসংখ্য নারী। ভিন্ন মতাদর্শের এক ক্ষুদ্র সম্প্রদায়ের মানুষদের তারা ধরে নিয়ে বন্দি করে রাখে। বন্দিদশা থেকে পালাতে চায় অনেকে কিন্তু মারা পড়ে তারা। শুধু একজন বেঁচে যায়। তার নাম সালমা। কিন্তু বেঁচে গিয়ে ফিরে আসে সালমা। খোলা প্রান্তরে পড়ে থাকা লাশগুলো সমাহিত করবে বলে। এ সময়ে সালমা নিজের অভ্যন্তরে টের পায় অপর কারও অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্ব হয়তো তারই বর্ধিত কোনো রূপ কিংবা অপরূপে সে নিজেই অথবা অন্যকিছু। আমরা জানি না। সেই অস্তিত্ব তার সঙ্গী হয়। মৃতদের কবর দেওয়ার পর সালমা খোঁজ করে তার প্রার্থিত পুরুষের। খুঁজে পায় ল্যাম্পপোস্টে ছিন্নমস্তকে ঝুলে আছে সেই পুরুষ। সালমা উগ্রপন্থিদের হাতে ধরা পড়ে। তাকে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। ঠিক তখন সালমা উপলব্ধি করে এ তার পরীক্ষা, যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সে পাবে পরমের সান্নিধ্য। সালমার নিজের অন্তর্ধানের মধ্য দিয়ে মঙ্গল কামনা করে, যেন  সব অনাচার আর বিভেদ লুপ্ত হয় পৃথিবী থেকে। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.