Banner Before Header

‘সমৃদ্ধ আগামীর অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’

‘সমৃদ্ধ আগামীর অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ৭ জুন দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন।

আগামী বাজেটে ভ্যাটের হার বহুস্তর থেকে কমিয়ে দুই থেকে তিন স্তরে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এছাড়া থাকবে সার্বজনীন পেনশন পদ্ধতির রূপরেখা। বাজেটে থাকছে ১ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির সুখবর।

বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতকে আর অগ্রাধিকার বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাত। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এজন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের চেয়ে এডিপির আকার বাড়ছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। আর সংশোধিত এডিপির তুলনায় বাড়ছে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা।

সেইসঙ্গে আগামী অর্থবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। পাশাপাশি রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। মোট জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বাড়ছে প্রায় ৫৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

সূত্র আরও জানায়, ‘সার্বজনীন পেনশন পদ্ধতির খসড়া কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী বাজেট বক্তব্যে সে বিষয়ে বিশদ রূপরেখা তুলে ধরবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এ পদ্ধতি কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের মতো বেসরকারি খাতে যারা চাকরি করেন, মাসিক পেনশন সুবিধাও পাবেন তারা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের কর্মকর্তা বলেন, সার্বজনীন পেনশন পদ্ধতি বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছর থেকে শুরু হবে। দীর্ঘমেয়াদি এ পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ কার্যকর হতে কমপক্ষে তিন-চার বছর সময় লাগবে। তারপরই এর সুফল মিলবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

আগামী বাজেটে নতুন করে ১ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুন করে এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে এবারের এমপিওভুক্তির ধরণটা হবে আলাদা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ বরাদ্দ থাকবে ৩০ শতাংশ। বাকি ৭০ শতাংশই বরাদ্দ রাখা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর উন্নয়নে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আগামী বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত টানা ১০ম বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.