Banner Before Header

বাজেট ও সিলেট প্রবাসীদের দু:খ

আহমেদ রিয়াজ : “এই হাসির জন্য আপনি এখন প্রবাসীদের কাছে অমরেশপুরি- ছিলেন হিরো হইলেন জিরো ”

মন্ত্রীগিরী বাদ দিয়ে প্রবাসে এসে মরুর বুকে বছরে আড়াই লাখ টাকা সঞ্চয় করে দেখান?
তাহলে বুঝতে পারবেন কত ধানে কত চাল?

বছর শেষে কফিলের টেক্স দিতে হয় বাংলাদেশী টাকায় প্রায় লাখ টাকা।
সরকারি টেক্স দিতে হয় প্রায় ২৬ হাজার টাকা।
থাকা খাওয়া, কারেন্ট,পানির বিল আরো বছরে প্রায় ৫/৬ লাখ টাকা।
জীবন যৌবন শেষ করে রক্তে ঘামে অর্জিত কিছু টাকা দেশের ব্যাংকে জমা রাখা মানে দুই তিন মাস দেশে এসে একটু আরাম করা।
সেই টাকা থেকে ২০% যদি আপনি নিয়ে যান তাহলে সংসার চলবে কেমন করে?
প্রবাসীরা বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠানো মানে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা।
ইনকাম টেক্স তারা দিবে,যারা দেশে ইনকাম করছে। প্রবাসীরা বিদেশে ইনকাম করে সেই দেশে টেক্স দিয়ে আসছে।
কোন হিসাবে?, কোন ফর্মুলায়? প্রবাসীদের কাছ থেকে টেক্স নিবেন?
টাকা পাঠায় গৌরি সেন
অার নাটক দেখে ললিতায়!
দেশ এবং প্রবাসীদের মধ্যে এই অবিচারের দেয়াল তৈরী করবেন না? দেশের ব্যাংক গুলো
খালি হয়ে গেছে বলে প্রবাসীদের পকেটে হাত দিবেন?
” ফুছিয়া ” নিয়ে গেছে ডেগের তল –
কি আর থাকে বল,
নজর দিয়েছে কোন কাংগাল বুড়ি,
নি:শক্তির কু- যুক্তি, সব হবে রসাতল ”
মনে করেছিলাম যাবার বেলায় শেষ বাজেটে প্রবাসীদের জন্য ভাল কিছু করে যাবেন। কিন্তু আজ আপনার জন্য প্রবাসীরা সিলেটবাসীকে নিয়ে দু:খ প্রকাশ করছে!
প্লিজ,
Mr Minister
এই বিতর্কিত প্রস্তাব খসড়া বাজেট থেকে
বাতিল করুন, না হয় প্রবাসী বান্ধব এই
সরকারের বদনাম হবে।

আহমেদ রিয়াজ, প্রেসিডেন্ট, কাতার- বাংলাদেশ চেম্বার।

Leave A Reply

Your email address will not be published.