Banner Before Header

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আবুল কালাম আজাদ

এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ওমানের বাংলাদেশ স্কুল জ্বালানের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওমান কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য, ওমানপ্রবাসী বাঙালীদের প্রাণপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আবুল কালাম আজাদ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার সন্ধ্যায় ওমানের সোহার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। গাড়ি নিয়ে রাজধানী মাস্কাট থেকে ছাহাম যাওয়ার পথে সুইক এলাকায় তিনি দূর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। গুরুতর আঘাতে তাঁর মাথা থেকে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়। মস্তিকে বেশ কয়েকবার অস্ত্রোপ্রচার করেও বাঁচানো যায়নি তাঁকে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর। তিনি স্ত্রী ও ২ ছেলে রেখে গেছেন।

আবুল কালাম আজাদ ওমানে ট্রাভেল এজেন্সি এবং কার্গো ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ বুড়িরচর এলাকার সন্তান আবুল কালাম আজাদ ছিলেন আওয়ামী হাটাহাজারী আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য ও বুড়িচর ইউনিয়ন শাখা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ।

প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর পর নিজগ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে বলে পরিবার থেকে জাননো হয়েছে।  এর আগে মাস্কাটে নামাজে জানাযা এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে শেষ শ্র্রদ্ধা জানানো হবে।

আবুল কালাম আজাদ’র অকাল মৃত্যুতে ওমানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। সমিতির পক্ষ থেকে এক শোকবার্তায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী সিআইপি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তাপস বিশ্বাস মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানিয়েছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.