Banner Before Header

রাজধানীতে গ্যাস সংকট চরমে

গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তি

 

নিউজনাউ ডেস্ক : রান্নাঘরে চুলা জ্বলে না। বাইরে থেকে ইফতারি আনতে হয়। সাহ্‌রি তৈরিতে ভোগান্তি হচ্ছে।

এই চিত্র ঢাকার পুরান ঢাকাসহ অনেক এলাকার। কারণ, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ঢাকাসহ তিতাস গ্যাসের বিতরণ এলাকায় ঘাটতি প্রায় ৭০ কোটি (৭০০ মিলিয়ন) ঘনফুট। এই ঘাটতি পূরণের জন্য ভরসা করা হয়েছিল আমদানি করা এলএনজির ওপর। কিন্তু এলএনজি সরবরাহ বিলম্বিত হয়ে এখন জুলাইতে গেছে। তাই আরও মাস দেড়েক সংকট চলবে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাসে বিদ্যুৎ–ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাড়তি গ্যাস দিতে হচ্ছে। যে গ্যাস ঢাকার আবাসিক গ্রাহকদের দেওয়া যেত। ঢাকার গ্যাস–সংকট কমাতে এখন সম্পূর্ণ এলএনজির ওপর নির্ভর করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গ্যাস–সংকটে বাসিন্দারা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। ইফতারের ও সাহ্‌রির খাবার তৈরি করতে কেরোসিনের মতো বিকল্প জ্বালানি, ইনডাকশন, রাইসকুকার ইত্যাদি ব্যবহার করা হচ্ছে। এক একটি পরিবারে এ বাবদ মাসে খরচ হচ্ছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা।

এ অবস্থায় এলপি গ্যাস ব্যবহার করছেন অনেকে। রমজানে গ্যাস–সংকট বেড়ে যাওয়ায় কেরোসিনের চুলার দাম বেড়ে গেছে। মহল্লায় প্রতি লিটার কেরোসিনে পাঁচ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.