Banner Before Header

শিরোপা ফ্রান্সের; হতাশা ক্রোয়েশিয়ার

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে ভক্তরা ফাইনালে প্রথমবারের মতো আত্মঘাতি গোল দেখলো।আর সেখান থেকেই আত্মহননের শুরু! আত্মহননের এই খেলায় নিজের নামটা ইতিহাসের পাতায় যুগযুগান্তের জন্য লিখে রাখলেন মানজুকিচ।খলনায়ক বনে গেলেন পেরিসিচ।

কিন্তু সেই আলোচনাটা বড় হয়নি। বাড়েনি সমালোচনার মাত্রা। কারণ ফাইনালে ফ্রান্সের ভাগ্যদেবি সহায় ছিল।ফলাফলটা তাই গ্রিজমানদের। ১৯৯৮ সালের পর আবারো নিজেদের বাড়িতে শিরোপা নিয়ে ফিরলেন জিনেদিন জিদানের উত্তরসূরীরা। সোনায় মোড়া শিরোপার ওজন ৬ কেজি। মূল্য ৩৮ মিলিয়ন ডলার। টাকার অংশে প্রায় ৩১৮ কোটি টাকা।

এদিকে, ফাইনালে ফুটবল কিংবদন্তি পেলেকে আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৬০ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনাল আরেকজন কিশোর গোলদাতা পেল। ১৯ বছর ৬ মাস বয়সী এমবাপ্পে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় কনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে গোলের রেকর্ড করলেন।

গতিময় ফ্রান্সের সাথে, দুর্বার তারুণ্যের কাছে হার মানলো পুরো বিশ্বকাপে অনবদ্য ফুটবল খেলা ক্রোয়েশিয়া। যে ম্যাচে হারার কোন কারণ দেখেনি তারা, শেষপর্যন্ত হার মেনেই চোখের জলে বিদায় নিতে হলো শিরোপার খুব কাছাকাছি আসা ক্রোয়াটরা। ভক্তদের আশা ছিল প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেললেও শিরোপা নিয়েই ঘরে ফিরবেন তারা। কিন্তু আশা পূরণ হলো না তাদের।

আর্জেন্টিনার পর হৃদয়ভাঙার বেদনা পেলো বাংলাদেশের ক্রোয়াট ভক্তরা। কারণ আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়ার পর মেসি ভক্তরা সব ক্রোয়েশিয়ার ভক্ত বনে গিয়েছিলেন। তবে হার মানলেই ক্রোয়াটরা কিন্তু বাংলাদেশের মতো দেশে ভক্ত তৈরি করতে পরেছেন, যা কম কি!

Leave A Reply

Your email address will not be published.