Banner Before Header

ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন ফেরদৌস

 

বাংলাদেশ ও ভারতের কোলকাতায় তুমুল জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস। কিন্তু দেশটির নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এখন আলোচনায়। এরইমধ্যে ভিসার শর্তভঙ্গ করায় ফেরদৌসকে দেশে চলে আসতে হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় ফেরেন। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ফেরদৌসকে কালো তালিকাভক্ত করেছে। এ কারণে কোলকাতার কোন ছবির শ্যুটিংয়ে তিনি আর অংশ নিতে পারবেন না।

এ ঘটনার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমআলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক। নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো :

আমি স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে অন্য একটি দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ কোনোভাবেই উচিত হয়নি। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকলে আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’ কথাগুলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

নায়ক শুটিং করতে ১২ এপ্রিল কলকাতায় যান। সেখানে শুটিংয়ের ফাঁকে তৃণমূলের পক্ষে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেন। এই প্রচারণায় অংশ নিয়েই বিপাকে পড়েন তিনি। ভারত সরকার ভিসা বাতিলের পাশাপাশি কালো তালিকাভুক্ত করে তাঁকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয়। গতকাল মঙ্গলবার রাতের ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় ফেরেন। আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন ফেরদৌস।

পুরো বিষয়টি নিয়ে ফেরদৌস বলেন, ‘আমি চিত্রনায়ক ফেরদৌস। অভিনয়শিল্প আমার একমাত্র নেশা ও পেশা। অভিনয়শিল্পের মাধ্যমে বাংলা ভাষাভাষী সকলের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরিতে সর্বদা কাজ করার চেষ্টা করেছি। আমার ভাবতে ভালো লাগে, দুই বাংলায় মানুষ আমাকে সমানভাবে ভালোবাসেন। দুই বাংলার মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনাচারে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। আবার ভারত বহু কৃষ্টি-কালচারের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ একটি দেশ। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের অবদান আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। পাশাপাশি ভারতের জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষা আমাদের চিরঋণী করে রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বহুদিনের। এখানের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক শিল্পী, সাহিত্যিক আমার বন্ধু। যাদের সঙ্গে আমি সব সময়ে হৃদ্যতা অনুভব করি। এ জন্য বিভিন্ন সময় কারণে অকারণে আমি এখানে চলে আসি।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.